Agaminews

দলমত নির্বিশেষে কৃষকদের মাঝে কৃষিকার্ড দেওয়া হবে- ডেপুটি স্পিকার


Kamal প্রকাশের সময় : জুলাই ২৪, ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন / ৪১২
দলমত নির্বিশেষে কৃষকদের মাঝে কৃষিকার্ড  দেওয়া হবে- ডেপুটি স্পিকার

বিশেষ প্রতিনিধি.বর্তমান সরকার থেকে কৃষক কার্ড, ফ্যামেলী কার্ড, হেলথ কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। ফ্যামেলি কার্ড নিয়ে আমরা একটা হোচট খেয়েছি। মিসটেক একটা হয়েছে। মিসটেক নেভার বীন এ প্রবলেম! কৃষক কার্ড যারা করবেন, দয়া করে ফ্যামেলি কার্ডের যে মিসটেক ছিল, ফ্যামেলী কার্ডের যে দুর্বলতা ছিল, যে ভায়াসনেস ছিল,তা করতে যাবেন না। ফ্যামেলী কার্ড থেকে যদি আমরা শিক্ষা নেই তাহলে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যে স্বপ্ন তা বাস্তবায়ন হবে। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) কিন্তু এই কার্ডগুলো রাজনৈতিক কারণে করেননি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে বসে রির্সাচ করে বাংলাদেশের মানুষের সামগ্রিকভাবে জীবনমান উন্নয়নের জন্য যা প্রয়োজন, মৌলিক অধিকার গুলো ফিরিয়ে আনার জন্য অভিজ্ঞদের দিয়ে গবেষণা করে কৃষক কার্ড, ফ্যামেলী কার্ড, হেলথ কার্ড করেছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে এটা করা হচ্ছে আমরা এটা এভাবে নেব না। এখানে নির্বাচিত জনপ্রতিধিরা এই কাজটা করছে।এখানে দলমত নির্বিশেষে সবার জন্য এই কার্ড করা হচ্ছে। যারা ফিল্ড ওয়ার্ক করেন। তাদের মধ্যে সচেতনতা দরকার। আমার এলাকায় ফ্যামেলী কার্ড বিতরণের পরে আমি ইনস্টেন্টলি আমি প্রতিবাদ করেছিলাম। আজকে যদি আমরা প্রতিবাদ না করতাম তাহলে হয়তো বা সারা বাংলাদেশেই এই ভুলের মাঝেই ফ্যামেলি কার্ড বিতরণ করা হতো।
জেলা সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে বৃহষ্পতিবার বিকেলে বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘ কে হিন্দু, কে মুসলমান, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিষ্টান, কে পাহাড়ি এভাবে কাউকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। আমরা সবাই মানুষ এটাই আমাদের বড় পরিচয়।’ তিনি বলেন, পাহাড়ি বা অন্য কোনো পরিচয়ের কারণে কাউকে উন্নয়ন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা কিংবা সুযোগ কম দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে কায়সার কামাল বলেন, যাঁদের ঘর নেই, তাদের জন্য দুর্গাপুর ও কলমাকান্দায় ২০টি ঘরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সুপেয় পানির সংকট নিরসনে বিশেষ টিউবওয়েল স্থাপন, মন্দির ও গির্জা সংস্কার এবং বর্ডার রোডের সঙ্গে বাড়িঘরের যোগাযোগ স্থাপনে সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া হাতির আক্রমণ থেকে সুরক্ষা, বিভিন্ন এলাকায় আলোর ব্যবস্থা এবং নদীভাঙন রোধে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার কথাও জানান তিনি।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, দীর্ঘদিন দেশে কার্যকর গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা সময়মতো গুরুত্ব পায়নি। ফলে প্রয়োজনীয় উন্নয়নকাজও পিছিয়ে ছিল।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, প্রকৃতির কাছে বারবার পরাজিত না হয়ে প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণের উপযোগী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভরাট ও দখল হয়ে যাওয়া নদী-খাল পুনঃখনন, নদীশাসন এবং দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে। খাল-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে পারলে ভবিষ্যতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমবে এবং কৃষকরাও উপকৃত হবেন। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সার্কিট হাউজ মিলনাতনে জেলার উন্নয়ন নিয়ে কথা প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক এডভোকেট নুরুজ্জামান নুরু, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আরিফুল ইসলাম সরদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুল ইসলাম প্রমুখ।
এসময় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ সহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি বিভাগের আরো খবর

আরও খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর